পাকুন্দিয়ায় শিয়ালের তাণ্ডব, শিশুসহ ১৯ জন হাসপাতালে

30

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পৌর সদরে পাগলা শিয়াল আতংক দেখা দিয়েছে। ২৪ ঘন্টায় শিশুসহ ১৯ নারী-পুরুষকে শিয়ালে কামড়ানোর খবর পাওয়া গেছে।

এদের মধ্যে ১৭ জনকে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং দুইজনকে কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই পাকুন্দিয়া পৌর সদর এলাকার বিভিন্ন গ্রামে পাগলা শিয়ালের উপদ্রব দেখা দেয়। পাগলা শিয়াল আতংকে এলাকাবাসী লাঠিসোটা নিয়ে চলাফেরা করছেন। কিন্তু সোমবার রাত থেকে পাগলা শিয়ালের উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে। সোমবার রাত ৮টার পর থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও পাড়ার শিশুসহ ১৯ জন নারী-পুরুষ পাগলা শিয়ালের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে গেছেন।

আহতরা হচ্ছেন- পৌরসদরের শ্রীরামদী গ্রামের আয়েশা খাতুন (৫০), লক্ষীয়া গ্রামের মনোয়ারা (৩৫), মিজান (১৮), সুবেদ আলী (৭৫), হাপানিয়া গ্রামের শামছ উদ্দিন (৬০), আবদুল আলী (৫৫), সোহাগ (২০), হুমায়ুন (৪০), মাহফুজা বেগম (৬০), সিফাত (১৩), ইমরান (১৭), রহিমা (৪০), হেপি (১৬), উত্তরপাড়া গ্রামের রিমা (১৮), হেপি আক্তার (১২), ইয়াছিন (৮), আশিক (১৩), হিজলিয়া গ্রামের রবিউল আউয়াল (৩২), নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মীর হোসেন (৬৫)।

এদের মধ্যে হাপানিয়া গ্রামের মৃত সামছুল হকের স্ত্রী মাহফুজা বেগম (৬০) ও একই গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে আবদুল আলী (৫৫)কে কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে কথা হলে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. খায়রুল আলম জানান, হাসপাতালে এন্টির‌্যাভিস ভ্যাকসিন সরবরাহ না থাকায় বাইরে থেকে ভ্যাকসিন এনে আক্রান্তরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত দু’জনকে কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

Share.